বৃহস্পতিবার , ১৪ নভেম্বর ২0১৯, Current Time : 1:07 am
  • হোম » খেলা » প্রশ্নের মুখে আইসিসির বিধান, আইসিসির ধারাতেই সাকিবের শাস্তি ৬ মাস হতে পারতো




প্রশ্নের মুখে আইসিসির বিধান, আইসিসির ধারাতেই সাকিবের শাস্তি ৬ মাস হতে পারতো

সাপ্তাহিক আজকাল : 31/10/2019

জুয়াড়ির অনৈতিক প্রস্তাব গোপন করায় দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এর মধ্যে এক বছরের সাজা স্থগিত রাখা হয়েছে। আইসিসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাকিবকে তিনবার প্রস্তাব দেয় জুয়াড়ি। কোনোবারই আইসিসির অ্যান্টিকরাপশন ইউনিটকে বলেননি তিনি। তার বিরুদ্ধে তাই আকসুর ২.৪.৪ ধারা ভাঙার অভিযোগ এনে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আকসুর ২.৪ অনুচ্ছেদে মোট নয়টি ধারা আছে। সাকিবের বিরুদ্ধে আনিত তিনটি অভিযোগই ২.৪ অনুচ্ছেদের চতুর্থ ধারার। এই অনুচ্ছেদ অনুসারে সবচেয়ে ‘লঘ’’ ভুলেই সাকিবকে দেওয়া হয়েছে বড় সাজা। ২.৪ অনুচ্ছেদের প্রথম ধারায় কোনো খেলোয়াড় অনৈতিক সুবিধা বা উপহার নিলে সাজা কী হবে তা বলা হয়েছে। দ্বিতীয় ধারায়, অনৈতিক সুবিধা কিংবা উপহার নেওয়ার কোনো ঘটনা আইসিসিকে জানাতে ব্যর্থ হলে তার সাজার কথা বলা হয়েছে। ২.৪ অনুচ্ছেদের তৃতীয় ধারায় আছে, অনৈতিক সুবিধা কিংবা উপহার নেওয়ার সব ঘটনা জানাতে ব্যর্থ হওয়ার বিষয়টি। সাকিব যে ভুলটা করেছেন তা ২.৪ অনুচ্ছেদের চতুর্থ ধারার অন্তর্ভূক্ত, যেখানে উল্লেখ আছে- অপ্রয়োজনে দেরি না করে আকসুকে জুয়াড়ির অনৈতিক প্রস্তাবের ব্যাপারে জানাতে ব্যর্থ হওয়ার কথা।

অনুচ্ছেদের পরের ধারা অর্থাৎ ২.৪.৫ ধারায় আছে, প্রস্তাব পাওয়ার পর কোনো ঘটনার সব তথ্য আকসুকে জানাতে ব্যর্থ হলে সে বিষয়ে আকসুর করণীয়। পরের ধারায় আছে, আকসুর তদন্তে সহায়তা করতে ব্যর্থ হওয়া কিংবা সহায়তা করার প্রস্তাব প্রত্যাখানের শাস্তি কী হবে তা। আকসু সম্ভাব্য দুর্নীতির কথা বিবেচনা করে তদন্ত করতে চাইলে তাতে বাধা সৃষ্টি করা কিংবা ইচ্ছাকৃত দেরি করা, তথ্য নষ্ট বা বিকৃত করলে সাজা কী হবে তা বলা আছে ২.৪ অনুচ্ছেদের সপ্তম ধারায়।

অষ্টম ধারায় আছে, তদন্তের স্বার্থে কোনো খেলোয়াড় নিয়মের মধ্য দিয়ে যেতে অস্বীকার করলে কিংবা সাক্ষ্য-প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে সম্ভাব্য সাজার কথা। ২.৪ অনুচ্ছেদের শেষ ধারায় আছে, অন্য কোনো ক্রিকেটারকে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে জুয়ার প্রস্তাবে সাড়া দিতে উৎসাহ দেওয়া, প্ররোচিত করা কিংবা আগের বর্ণিত ধারাগুলো ভাঙতে কাউকে সহায়তা করলে তার সাজার কথা।

আইন অনুযায়ী, সাকিবের ভুলের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সাজার বিধান আছে। কিন্তু ধারা অনুযায়ী, সাকিব তুলনামূলক ছোট ভুল করেছেন। তাই সর্বনিম্ম সাজা ছয় মাসও পেতে পারতেন তিনি। আইসিসি তাকে দিয়েছে বড় দণ্ড। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। সাবেক ক্রিকেটার, ক্রিকেট বিশ্লেষক কিংবা ক্রীড়া সাংবাদিকরা টুইট করে সাকিবের সাজা বেশি হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন। আছে ভিন্নমতও।



Chief Editor & Publisher: Zakaria Masud Jiko
Editor: Manzur Ahmed
37-07 74th Street, Suite: 8
Jackson Heights, NY 11372
Tel: 718-565-2100, Fax: 718-865-9130
E-mail: [email protected]
� Copyright 2009 The Weekly Ajkal. All rights reserved.