মঙ্গলবার , ২0 অগাস্ট ২0১৯, Current Time : 7:27 am




এবিবিএ’র সেমিনারে বক্তারা
‘চুক্তি সইয়ের আগে ভাল করে পড়ে নিন’

সাপ্তাহিক আজকাল : 10/08/2019

আজকাল রিপোর্ট
আমেরিকান বাংলাদেশি বিজনেস এলায়েন্সের আয়োজনে ইমিগ্রেশন এবং ট্যাক্স বিষয়ক সেমিনার গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টাওে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবা দেয়ার লক্ষ্যেই এবিবিএ ফ্রি এই সেমিনারের আয়োজন করে। আইনজীবি মোহাম্মদ এন মজুমদারের সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. বশির আহমেদ। কি-নোট স্পীকার ছিলেন এটর্নী ব্রুশ ফিসার। সেমিনারের স্পীকার হিসাবে ছিলেন সিপিএ ইয়াকুব এ খান, এটর্নী এ্যালেন, এটর্নী হাসান মালিক, এটর্নী খায়রুল বাশার প্রমুখ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এবিবিএ’র সভাপতি ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার।

সেমিনারে যে কোন চুক্তি সম্পাদনের আগে তা ভালভাবে পড়ে নেয়াসহ আইস আসলে করণীয় কি তা নিয়ে বিষয় বিশেষজ্ঞরা বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
এটর্ণী ব্রুশ ফিসার বলেন, গত ২০ বছর ধরে আমি এই পেশায় রয়েছি এবং ২০ বছর বাংলাদেশি কমিউনিটির সাথে কাজ করছি। আমার অধিকাংশ গ্রাহকই বাংলাদেশি। আমি বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য কাজ করছি। আমার কাছে ছোট-বড় সব মামলা সমান। আমি সব ধরনের মামলা নিয়ে থাকি।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় পতিত হলে অবশ্যই কিছু ডকুমেন্ট রাখতে হবে। গাড়ি দুর্ঘটনা হলে অবশ্যই গাড়ির ছবি নম্বর প্লেটসহ রাখতে হবে। অবশ্যই মেডিক্যাল ডকুমেন্ট লাগবে। গাড়ি দুর্ঘটনা হলে ৩০ দিনের মধ্যে মামলা করতে হবে। সাইড ওয়ার্কে দুর্ঘটনায় পতিত হলে অবশ্যই ৯০ দিনের মধ্যে মামলা করতে হবে। সিটির কোন হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার শিকার হলে ৯০ দিনের মধ্যে মামলা করতে হবে।
এটর্নী এ্যালেন সকানি বলেন, বর্তমানে আমেরিকার ইমিগ্রেশন পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক। তবে আমেরিকায় বৈধ এবং অবৈধদের অধিকার সমান। আমেরিকার সংবিধান অনুযায়ী সবার সমান অধিকার রয়েছে।
তিনি বলেন, কোন ওয়ারেন্ট ছাড়া কেউ আপনার ঘরে প্রবেশ করতে পারবে না এবং আপনাকে চার্জ করতে পারবে না। আপনি পুলিশের সামনে বা আইসের সামনে চুপ থাকতে পারেন। তাদের কোন কথার জবাব দিতে আপনি বাধ্য নন।
ড. বশির আহমেদ বলেন, সব দেশেই বলতে গেলে আইন একই রকম। তবে দেশের পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনের ব্যবহার ভিন্ন। আমেরিকার আইনের প্রয়োগের সাথে বাংলাদেশের আইনের তুলনা করা যাবে না।
সিপিএ ইয়াকুব এ খান বলেন, ২০১০ সাল থেকেই আমেরিকায় ফ্যাটকা চালু করা হয়। বিশ্বের প্রায় ১০৫টি দেশ এই ফ্যাটকার প্রথম মডেলটি সাইন করেছে। বাংলাদেশ দ্বিতীয় মডেলটির আওতায় রয়েছে। এই মডেলে বাংলাদেশের অধিকাংশ ব্যাংক প্রবাসীদের তথ্য দিতে বাধ্য। তিনি বলেন, যারা আমেরিকার পাসপোর্ট এবং গ্রীণ কার্ড হোল্ডার তাদের যদি বিদেশে ৫০ হাজার ডলারের উপর থাকে (একক), যৌথ ১ লাখ ডলার থাকে তাহলে ট্রাক্স ফাইলের সময় তা অবশ্যই জানাতে হবে। এ ছাড়াও যদি সম্পত্তি বা ব্যবসা বাণিজ্য থাকে তাও জানাতে হবে। তা না হলে কখনো ধরা পড়লে মোটা অংকের (৪০%) জরিমানা হতে পারে। যে কারণে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ সিপিএ’র মাধ্যমে ট্যাক্স ফাইল করবেন।
এটর্নী হাসান মালিক বলেন, একজন এটর্নীর কাজ হচ্ছে আপনাকে সেবা প্রদান করা। কারণ আপনি আমাকে অর্থ দিয়ে আপনার এটর্নী নিয়োগ করেছেন।



Chief Editor & Publisher: Zakaria Masud Jiko
Editor: Manzur Ahmed
37-07 74th Street, Suite: 8
Jackson Heights, NY 11372
Tel: 718-565-2100, Fax: 718-865-9130
E-mail: [email protected]
� Copyright 2009 The Weekly Ajkal. All rights reserved.