মঙ্গলবার , ২0 অগাস্ট ২0১৯, Current Time : 4:03 am
  • হোম » জাতীয় » জঙ্গিদের ৮২ ভাগই উদ্বুদ্ধ হয়েছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে




জঙ্গিদের ৮২ ভাগই উদ্বুদ্ধ হয়েছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে

সাপ্তাহিক আজকাল : 23/06/2019

রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে শনিবার সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে নাগরিকদের অংশগ্রহণ’ শীর্ষক এক কর্মশালায় বলা হয়, যেসব তরুণ জঙ্গিবাদের অন্ধকার জগতে প্রবেশ করেছে, তাদের অন্তত ৮২ শতাংশই ইন্টারনেটের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ হয়েছে। এদের মধ্যে ৫৬ শতাংশ সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থা বা মূলধারার শিক্ষায় শিক্ষিত। গ্রেফতারকৃত ২৫০ জঙ্গির উপর চালানো জরিপে এ তথ্য পাওয়া যায় বলে ওই কর্মশালায় জানানো হয়।

পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) উদ্যোগে ওই অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ফর পিস (সিডিপি) সহায়তা করে। তাতে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

কর্মশালায় এটিইউর অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, হলি আর্টিজানে হামলা পরবর্তী সময়ে জঙ্গি সংশ্নিষ্টতার অভিযোগে বিভিন্ন সময় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে করা জরিপ দেখা যায়, ২২ শতাংশ মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার এবং অশিক্ষিত ২২ শতাংশ। সে হিসাবে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়া প্রায় ৬০ শতাংশই সাধারণ ও ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষা ব্যবস্থার নিষিদ্ধ । তিনটি জঙ্গি সংগঠন সক্রিয় থাকার তথ্য দিয়ে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘জামা’আতুল মুজাহিদীন অব বাংলাদেশ (জেএমবি), আনসারুল্লাাহ বাংলা টিম (এবিটি) বা আনসার আল ইসলাম ও হিযবুত তাহরী সক্রিয় থেকে তাদের কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করছে। বাংলাদেশে সক্রিয় জঙ্গিদের সবাই হোমগ্রোন এবং কেউ কেউ আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরো বললেন, জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়া ৮২ শতাংশই ইন্টারনেটেরা মাধ্যমে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন। এ জন্যই জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে সবার, বিশেষ করে যুব সমাজের আরও বেশি অংশগ্রহণ প্রয়োজন। জঙ্গিবাদে রুখতে তরুণ সমাজের সচেতনতা সবচেয়ে জরুরি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের উপকমিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালের তথ্য অনুযায়ী আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) প্রতিদিন প্রায় ৭০ হাজার টুইট করে এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে ৯০ হাজার পোস্ট করে।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ফুয়াদ হাসান মল্লিক বলেন, সন্ত্রাসবাদ যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের চেয়ে বিপজ্জনক। তাই জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে নজর দিতে হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত তরুণ ও শিক্ষার্থীরাও এ বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

যেসব তরুণ জঙ্গিবাদের অন্ধকার জগতে প্রবেশ করেছে, তাদের অন্তত ৮২ শতাংশই ইন্টারনেটের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ হয়েছে। এ তরুণদের ৫৬ শতাংশ সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থা বা মূলধারার শিক্ষায় শিক্ষিত। বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতার ২৫০ জঙ্গির মধ্যে চালানো জরিপে এসব তথ্য বেরিয়ে আসে বলে এক কর্মশালায় জানানো হয়।

শনিবার রাজধানীর গুলশানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে নাগরিকদের অংশগ্রহণ’ শীর্ষক ওই কর্মশালা হয়।

পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) উদ্যোগে ওই অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ফর পিস (সিডিপি) সহায়তা করে। এতে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

কর্মশালায় এটিইউর অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘হলি আর্টিসানে হামলা-পরবর্তী সময়ে জঙ্গি সংশ্নিষ্টতার অভিযোগে বিভিন্ন সময় গ্রেফতার ২৫০ জনের মধ্যে জরিপ করা হয়। এতে বেরিয়ে আসে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়া ৫৬ শতাংশই মূল ধারার শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে এসেছে। যেখানে ২২ শতাংশ মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার ও ইংরেজি মাধ্যমের এবং অশিক্ষিত রয়েছে বাকি ২২ শতাংশ। সে হিসাবে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়াদের প্রায় ৬০ শতাংশই সাধারণ ও ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষা ব্যবস্থার।’

দেশে বর্তমানে তিনটি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন সক্রিয় থাকার তথ্য দিয়ে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘জামা’আতুল মুজাহিদীন অব বাংলাদেশ (জেএমবি), আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (এবিটি) বা আনসার আল ইসলাম ও হিযবুত তাহরীর সক্রিয় থেকে তাদের কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করছে। বাংলাদেশে সক্রিয় জঙ্গিদের সবাই হোমগ্রোন এবং কেউ কেউ আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’

জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়া ৮২ শতাংশই ইন্টারনেট জগতের কোনো মাধ্যম হয়ে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন জানিয়ে মনিরুজ্জামান বলেন, ‘এজন্যই জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে সবার, বিশেষ করে যুব সমাজের আরও বেশি অংশগ্রহণ দরকার। এটি রুখে দিতে তরুণ সমাজের সচেতনতা সবচেয়ে জরুরি।’

ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের উপকমিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘২০১৮ সালের তথ্য অনুযায়ী আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) প্রতিদিন প্রায় ৭০ হাজার টুইট করে। এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে ৯০ হাজার পোস্ট করে। আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনসহ দেশীয় সংগঠনগুলোর প্রধান টার্গেট থাকে মিডিয়া কাভারেজ। তারা কী করতে পারল তার চেয়ে জরুরি কতটা প্রচার পাওয়া গেল। তাই জঙ্গিবিষয়ক সংবাদ পরিবেশনায় গণমাধ্যমকে আরও সতর্ক হতে হবে।’

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ফুয়াদ হাসান মল্লিক বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদ যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের চেয়ে বিপজ্জনক। তাই জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে নজর দিতে হবে। এজন্য সব পর্যায়ের নাগরিকদের অংশগ্রহণে জোর দিতে হবে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত তরুণ ও শিক্ষার্থীরাও উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে তাদের মতামত তুলে ধরেন।



Chief Editor & Publisher: Zakaria Masud Jiko
Editor: Manzur Ahmed
37-07 74th Street, Suite: 8
Jackson Heights, NY 11372
Tel: 718-565-2100, Fax: 718-865-9130
E-mail: [email protected]
� Copyright 2009 The Weekly Ajkal. All rights reserved.