শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২0১৯, Current Time : 2:49 am
  • হোম » এ সপ্তাহের খবর »
    বিমান বন্দরে ঘন্টার পর ঘন্টা তল্লাশী
    তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে ঢাকা থেকে ফিরছেন প্রবাসীরা




বিমান বন্দরে ঘন্টার পর ঘন্টা তল্লাশী
তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে ঢাকা থেকে ফিরছেন প্রবাসীরা

সাপ্তাহিক আজকাল : 22/06/2019

বিশেষ প্রতিনিধি
সম্প্রতি কঠিন অভিজ্ঞতা নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল র. আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে নিউইয়র্কে ফিরছেন প্রবাসীরা। বিমান বন্দরে অতি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার বাস্তবতায় কড়াকড়ি আরোপের কবলে পড়েছেন বহু প্রবাসী। তাদের তল্লাশীর লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে ঘন্টার পর ঘন্টা। এর প্রভাব পড়ছে বিমানের সিডিউলেও। সংশ্লিষ্ট যাত্রীরা তল্লাশীর কারণে বিমানে উঠতে না পারায় কয়েক ঘন্টা বিলম্বে ছাড়তে হচ্ছে বিমান। মধ্যরাতে রওয়ানা দেয়ার কথা থাকা বিমানগুলো ভোরেই রওয়ান দিচ্ছে। ঢাকা থেকে নিউইয়র্ক আসা কয়েকজন যাত্রী সাপ্তাহিক আজকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
গত সপ্তাহে ঢাকা থেকে নিউইয়র্কে আসেন উডসাইডের ক্যাবি নজিবুর রহমান। তিনি সাপ্তাহিক আজকালকে বলেন, আমি স্বস্ত্রীক নিউইয়র্ক ফিরছিলাম। প্রতিবারের মত দুই সন্তান এবং স্ত্রী ছিল আমার সঙ্গে। আমি দুই ঘন্টা আগেই হযরত শাহজালাল র. আন্তজার্তিক বিমান বন্দরে পৌঁছায়। এর মধ্যে আমরা বডিং নিয়ে সামনের দিকে এগুতেই দেখি দীর্ঘ লাইন। প্রতিজনের পাসপোর্ট চেক করে ইমিগ্রেশন শেষ করা হয়। এবার বিমানের কাছে যেতে দীর্ঘ লাইন। প্রতিজনকে তল্লাশী করতে অনেক সময় যাচ্ছে। এক ঘন্টারও অধিক লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে তল্লাশীর জন্য। দুইজন মাত্র ব্যক্তি সবাইকে তল্লাশী করে ভেতরে প্রবেশ করাচ্ছেন।
গত রোববার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছান জ্যামাইকার ভেন্ডর মিনহাজ আহমেদ। তিনি সাপ্তাহিক আজকালকে বলেন, আমি এবং আমার ছেলে মিলে নিউইয়র্ক ফিরছিলাম। আমাদের ফ্লাইট ছিল মধ্যরাতে। আমরা ঠিকভাবে বিমান বন্দরে পৌঁছালাম। ইমিগ্রেশনে দীর্ঘ লাইন। এ লাইন পার হতে সময় লেগেছে প্রায় দেড় ঘন্টা। তবে তল্লাশীর মুখে আমার বেশিক্ষণ থাকতে হয়নি। কিন্তু এরই মধ্যে নির্দিষ্ট সময়ের বিমান এক ঘন্টা বিলম্ব করছে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। আমি কেবিন ক্রুর কাছে জানতে চাইলাম বিমান বিলম্ব কেন। তিনি বললেন, প্রায় প্রতিদিনিই দেরি হচ্ছে। কারণ যাত্রীদের বিমান পর্যন্ত আসতে দেরি হচ্ছে।
জ্যাকসন হাইটসের একটি ডাক্তারের অফিসে কাজ করেন খান। তিনিও সাপ্তাহিক আজকালকে একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা বলেন। খান বলেন, আমি ইউএস সিটেজেন বলে পরিচয় দিয়েছি। তারপরও আমার সবকিছু পরীক্ষা করেছেন ইমিগ্রেশন অফিসার। তবে মজার বিষয় হল আমার লাগেজটা আসেনি। দুই দিন পর সে লাগেজ পেয়েছি। জানতে চাইলে বলেন, তাড়াহুড়ার কারণে আমার লাগেজ নির্দিষ্ট বিমানে তারা পাঠাতে পারেননি। আমার মত অনেকেরই এ অবস্থা হয়েছে।



Chief Editor & Publisher: Zakaria Masud Jiko
Editor: Manzur Ahmed
37-07 74th Street, Suite: 8
Jackson Heights, NY 11372
Tel: 718-565-2100, Fax: 718-865-9130
E-mail: [email protected]
� Copyright 2009 The Weekly Ajkal. All rights reserved.